লাগামহীন মুখ
লাগামহীন মুখ।
কেউ কাউকে কিছু বলতে পারাটাই নিজেকে বেশ গর্বের মনে হয়।একজন মুসলিম আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে কবীরা গুনাহ হচ্ছে। সেখানে আমার প্রিয়স্বামী,আল্লাহর পরে যদি কাউকে সিজদাহ দেওয়ার অনুমতি থাকতো,তাহলে স্বামীর পায়ে স্ত্রীকে সিজদাহ দিতে বলা হতো।স্বামীর অসন্তুষ্টিবস্হায় স্ত্রী মারা গেলে সে জাহান্নামী।রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি জাহান্নামে অধিকাংশ মেয়েদের দেখেছি।কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন - তারা স্বামীর অবদানগুলো অস্বীকার করে এবং স্বামীকে লানত দেয়।মাআযাল্লাহ।
অথবা প্রিয়তমা স্ত্রীকে।যাকে আমার পোশাক এবং শস্যক্ষেতের সাথে তুলনা করা হয়েছে।সুবহানাল্লাহ। তাকে বিবাহ করার মাধ্যমে আমার অর্ধেক দ্বীনের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে।
আমার সন্তানের মা,যে সন্তান আমার মৃত্যুর পর তার আমল আমার জন্য সাদাকায়ে জারিয়া হবে,তাকে সে তারবিয়াহ করে।
একটু ভাবুন।কথার বিপরীতে কথা বলার অভ্যাস বাদ দিতে হবে।বিশেষ করে,একজন পুরুষ তো তর্ক এবং ঝগড়া কখনো জীবনের অভ্যাস বানাতে পারে না।আর একজন নারী কিভাবে পৃথিবীর সবচেয়ে দামী সম্পদকে এতোটা তুচ্ছ জ্ঞান করে এবং উঁচু আওয়াজ ও অসহনীয় আচরণ করে।
ভুল আমারও হতে পারে আপনারও হতে পারে।কথাগুলো আমার জন্য বেশি জরুরি। রব যেনো আমাদের এই লাগামহীন কথার কারনে পাকড়াও না করেন এবং দাম্পত্যজীবনের সুখগুলো মলিন না করে দেন।
আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো,এটির ধারাবাহিকতা যেনো আমাদের সম্পর্কচ্ছেদ পর্যন্ত না নিয়ে যায়।এজন্য আসুন সকল দাম্পত্যের জন্য আমরা কায়মনোবাক্যে রবের কাছে দোয়া করি।খুব চেষ্টা করবো,ঘরের কথাগুলো যেনো দুজনের বাহিরে না যায়।সাবধান! হতে পারে ঘরের আগুন ঘরেই নেভানো যেতো,কিন্তু বাহিরের কেরোসিন নিয়ে আগুনে ছাই না হয়ে যায়।