শাশুড়ী বৌমা এক চিরন্তন যুদ্ধ।
শ্বাশুড়ি বৌমা এক চিরন্তন যুদ্ধ।
শাশুড়ি বৌমার ধারাবাহিক চলতে থাকা খুটিনাটি বিষয় গড়াইতে গড়াইতে যখন পরিস্হিতি এমন হয় যে,আমাদের কানে এমন খবর আসে যে- শাশুড়ির দেওয়া মানসিক কষ্ট সইতে না পেরে বৌমা গলাশ দড়ি ঝুলাতে চেয়েছে, বাবার বাড়ি চলে গিয়েছে, দিনের পর দিন খাবার না খেয়ে আছে ইত্যাদি। এদিকে বৌমা তার স্বামীকে কানপড়া দিতে দিতে এমন অবস্থা করে ফেলেছে
যে,মা বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে, এতোটা জুলুম ও স্বার্থচারিতা করছে যে সকাল বিকেল মায়ের চোখের অশ্রু ঝড়ে।
(এ কথাগুলো লিখতে গেলে কান্না আসে।খুব কষ্ট হয়।কেমন জানি বুকটা ভারী হয়ে যায়।ভাবি যে,আমাদের আপন সম্পর্কগুলোর এ কেমন দৃশ্য!
যা কাউকে সহজে বলা যায় না,সয়ে নেওয়া যায় না।যে পুরুষটা এর মাঝে অবস্থান করে,সে বেচারাও মনকষ্টে বুকে পাথর বাঁধে। চোখে অশ্রু আসলে দূরে চলে যায়।একা একা দূরে ভেবে সময় পাড় করে)
তো এতোকিছুর পরেও যখন কিছু মানুষ এবং ভুক্তভোগী পরিবার যৌথভাবে থাকার ফজিলত শোনায়,তখন ভাই বেশ খারাপ লাগে।
একটা পরিবারে প্রতিদিনে যখন এতো সমস্যা ও অশান্তি,তারপরও কি একসাথে থাকাটা বেশ জরুরি।
এতো আবেগ এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি এতোই যদি মহব্বত থাকে,তাহলে খোঁচাখুচি করাটা বেশ কষ্টের কিনা!
একজন পুরুষ সারাটা দিন পরিশ্রম করে যখন বাসার এই হালত ও অবস্থার মুখোমুখি হোন এবং এই সমস্যার জের ধরে স্ত্রী স্বামীর প্রয়োজনে কাছে আসতে অস্বীকার করে পাশাপাশি অসুন্দর আচরণ করে।বিষয়টি কতটা প্রভাব ফেলে -যে বা যারা পড়ছেন একটু ভেবে দেখুন তো!
আচ্ছা, এটা তো গেলো স্ত্রীর কথা! মা যে এদিকে বৌমার নানা দোষ মনের মধ্যে নিয়ে ছেলেটার সাথে সুন্দরমতন কথা কইনা! একজন মা ছেলের সাথে ঠিকমত কথা বলে না -এর চেয়ে কষ্টের কি আছে পৃথিবীতে।
এই পরিস্থিতিগুলো যারা সমাধান করছেন না বা সমস্যা সৃষ্টির কারণ হচ্ছেন,আপনি পরিবারের যে অবস্থানেই থাকুন বা আমি থাকি, রবের কাছে আমাদের অবস্থান কিন্তু বেশ নীচে চলে যাচ্ছে।
মানুষ আমাকে ভাবছে-আমি কত দ্বীনদার রে!
কিন্তু আমার এই নীচু মানসিকতা ও অসহনীয় আচরণের সাথে জুলুম প্রকাশের কথা উপরওয়ালা জানেন।জমিনবাসী আমাকে এতো ভালো জেনে লাভ কি হে মালিক!
আপনার পাকড়াও বেশ কঠিন।
আপনি আমাকে সহ সকলকে খুলুকে হাসানা এবং উত্তম আচরণের তাওফিক দান করুন।